Writer : Suman Biswas
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Literature>Adventure
- Publication Year : 2025
- ISBN No : 978-81-977358-7-5
- Binding : Card Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 240
- Weight : 499 gms
- Height x Width x Depth : 8.5x5.5x0.5 Inch
If so, it will be notified
About the Book
ইউনিভার্সিটির পড়ুয়া তিন বন্ধু জয়দীপ, সৌরভ, অর্পণ আর অর্পণের বোন কলেজের ছাত্রী ঊর্মি, এই 'চার চরণিক' নিয়মিত হিমালয়ে ট্রেক করতে যায়। আশ্চর্যজনকভাবে প্রতিবারই ট্রেকে গিয়ে ওরা কোন না কেন রহস্যের সম্মুখীন হয় — ট্রেক পরিবর্তিত হয়ে যায় অ্যাডভেঞ্চারে। এবারেও ঠিক তাই।
তবে এবারে কিন্তু রহস্যের সূত্রপাত হিমালয়ে নয়, সমতলে। একটি মৃত্যু থেকে। সেই মৃত্যুরহস্যের কিনারা করতে গিয়ে ক্রমাগত বিপদের সম্মুখীন হতে হতে চার চারণিক বিস্ময়ের সাথে একসময়ে দেখে তারা এক অপরাধচক্রের জটিল কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছে, যে চক্র কয়েক যুগ ধরে কমবেশী সক্রিয়— আর যদিও তাদের মুখোশ বিভিন্ন সময়ে বদলেছে, চক্র কার্যকর রয়েছে সর্বদাই।
চার চরণিক কি পারবে সেই মৃত্যুরহস্যের সমাধান করতে? অপরাধচক্রের মোকাবিলা করতে?
এই উপন্যাসে লেখক চার চরণিকের সঙ্গী করে পাঠককে যেমন নিয়ে গেছেন কুমায়ুন হিমালয়ে এক রোমহর্ষক অ্যাডভেঞ্চারে, তেমন নিয়ে গেছেন ঊড়িষ্যার জঙ্গলে, আবার পশ্চিমবঙ্গের এক প্রত্যন্ত গ্রামেও। উপন্যাসে দেখা যায় চার চরণিক বলছে, তারা মনে করে দার্শনিক Emerson যে কথা বলে গেছেন মানুষের জীবন সম্পর্কে— "It’s not the destination, it’s the journey”, সেই কথা হিমালয়ে ট্রেকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পাঠক দেখেন এই উপন্যাসের ক্ষেত্রেও একই কথা যেন প্রাসঙ্গিক। রহস্যের সমাধানে পৌঁছন আদৌ যেন লেখকের লক্ষ্য নয়, পড়তে পড়তে পদে পদে রোমাঞ্চের অনুভূতি পাঠকের হয় না— বরং ধীরেসুস্থে গল্প যে এগোয়, তার গতিপ্রকৃতি দেখতে গিয়ে মনে হয় সামাজিক বিবর্তনকেই লেখক তাঁর কলমে ধরতে চেয়েছেন।
সরস ভঙ্গীতে, সাবলীল গতিতে, নিজের ছন্দে উপন্যাস এগোয়। পাঠকও আশা-নিরাশায় দুলতে দুলতে সঙ্গে চলেন। এক একটা ঝাঁকুনি আসে। পাঠক নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হন। হঠাৎ এক সময়ে পাঠক উপলব্ধি করেন এই যে সামাজিক বিবর্তনের ছবি লেখকের কুশলী লেখনীতে ধরা পড়েছে, তা, আর উপন্যাসের মূল উপজীব্য যে রহস্যের সমাধান— দুই-ই যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
